সিলেট পিবিআই’র পুলিশ সুপার সারোয়ার জাহান একথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তির সহায়তায় তানিয়াকে কুমিল্লার তিতাস থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে সংবাদ সম্মেলন করা হবে পিবিআই কার্যালয়ে।’
মা ও ছেলের হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তানিয়া পলাতক ছিল। তাকে গ্রেফতারের জন্য সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে একাধিকবার অভিযান চালায় পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশের পাশাপাশি মামলার রহস্য উদঘাটনের জন্য মাঠে নামে পিবিআই। অবশেষে হত্যাকাণ্ডের ৮ দিনের মাথায় পিবিআই তানিয়াকে গ্রেফতার করে।
এদিকে জোড়া খুনের ঘটনায় পুলিশের রিমান্ডে থাকা নাজমুল ইসলামের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ এমদাদুর রহমান রাফি (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সে বিমানবন্দর থানার আম্বরখানা বড়বাজার ৯৪/২নং বাসার ইলিয়াছুর রহমানের ছেলে।
কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) রোকেয়া বেগম বলেন, ‘পুলিশের কাছে রিমান্ডে থাকা নাজমুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাফিকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আদালতে আবেদন করবে পুলিশ।’
রবিবার (৮ এপ্রিল) কোতোয়ালি থানা পুলিশ জোড়া খুনের মামলায় আসামি হিসেবে রাফিকে গ্রেফতার দেখিয়ে সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে আদালতের বিচারক সাইফুজ্জামান হিরো তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
প্রসঙ্গত, সিলেট মহানগরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের খারপাড়ায় মিতালি ১৫/জে নম্বরের তিনতলা বাড়ির নিচতলায় দুই সন্তানকে নিয়ে থাকতেন পার্লার ব্যবসায়ী রোকেয়া বেগম।
১ এপ্রিল সকালে বাসার ভেতরে থাকা রোকেয়া বেগমের পাঁচ বছরের মেয়ে রাইসার কান্না শুনে এবং পচা গন্ধ পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে রোকেয়া বেগম ও তার ছেলে রবিউল ইসলাম রোকনের লাশ উদ্ধার করে।