তবে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ওই স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিষয়টি সমঝোতা করেছেন। টিসি দেওয়া শিক্ষার্থীরা হচ্ছে, হিমেল, মনির, শিপন, ফারুক, জুবায়ের, সাইফুল, রাজু ও সুজন ।
স্কুল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, ভোলানাথ স্কুলের প্রধান শিক্ষক জোর করে ওই স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কোচিং ক্লাসে যাওয়ার নির্দেশ দেন। এছাড়াও কোচিং না করলে বাধ্যতামূলক প্রতিমাসে কোচিং ফি বাবদ ৬০০ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তবে স্কুলের শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের কথায় রাজি না হয়ে বিষয়টির প্রতিবাদ করে। পরে প্রধান শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে ২৪ এপ্রিল নবম শ্রেণির সাত শিক্ষার্থীকে টিসি দেন। এছাড়াও আরও ৩২ শিক্ষার্থীর তালিকা প্রস্তুত করে (বুধবার) ২৫ এপ্রিল তাদের স্কুল থেকে টিসি নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে ওই এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বিষয়টি নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমঝোতা করেন।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন টিসি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে শিক্ষার্থীদের টিসি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সমোঝতা করা কথাও স্বীকার করেন তিনি। তবে টিসি দেওয়া শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে ও শিক্ষার্থীরাও স্কুলে ক্লাস শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।
এ ব্যাপারে গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাদের মোল্লা বলেন, টিসি দেওয়ার ব্যাপারটি তিনি জানতে পেরে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের আবার ওই স্কুলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। ঘটনাটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।