সুজনের কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়ে শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। মঞ্চে উপস্থিত পাঁচ মেয়র প্রার্থীকে অঙ্গীকারপত্র পাঠ করানো হয়। এরপর শুরু হয় মেয়র প্রার্থীদের কাছে উপস্থিত জনতার প্রশ্ন।
শুরুতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়র প্রার্থী মাওলানা মুজ্জাম্মিল হক উপস্থিত জনতার করা তিনটি প্রশ্নের উত্তর দেন। এরপর সিপিবি’র প্রার্থী মিজানুর রহমান ও জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী শফিকুর রহমানও তিনটি প্রশ্নের উত্তর দেন। এরপর আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থী ভোটরদের প্রশ্নের জবাব দেন।
আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেককে নগরীর যানজট নিরসনে কী উদ্যোগ নেবেন বলে প্রশ্ন করেন এক ভোটার। জবাবে খালেক বলেন, ‘আমি নগর পিতা (মেয়র) নির্বাচিত হলে সিটি করপোরেশনের মধ্যে ইজিবাইকসহ সব গণপরিবহনের নির্দিষ্ট সংখ্যায় আনা হবে। নগরবাসীকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন একটি যানজটমুক্ত নগরী উপহার দেবো।’
দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি মেয়র নির্বাচিত হলে নগরীতে মাদক বিক্রেতাসহ হোতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ খুলনা সিটিকে একটি মাদকমুক্ত নগরী উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।
তৃতীয় প্রশ্নের জবাবে সাবেক এ মেয়র বলেন, ‘বিগত দিনে আমি এ সিটি করপোরেশনের মেয়র ছিলাম। আমার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে নগরবাসী অবগত আছেন। খুলনাকে একটি আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি সর্বাত্মক চেষ্টা করবো।’
সর্বশেষে বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর প্রশ্নত্তোর পর্বে অনুষ্ঠানস্থলে হট্টগোল শুরু হয়। তাকে প্রশ্ন করা হয়- শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস দমনে এবং নগরীর যানজট নিরসনে তিনি কীভাবে কাজ করবেন। মঞ্জু এই দুটি প্রশ্নের জবাব দেওয়ার পর তৃতীয় প্রশ্ন করার সময় একপক্ষ হট্টগোল শুরু করেন। এ অবস্থায় অনুষ্ঠানের সঞ্চালক প্রশ্নকারীকে থামিয়ে দেন। এ প্রশ্নের পরপরই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ড. বদিউল আলম মজুমদার প্রশ্নটি উদ্দেশ্যমূলক আখ্যা দিয়ে প্রশ্নত্তোর পর্ব সমাপ্তি ঘোষণার চেষ্টা করেন। নজরুল ইসলাম মঞ্জুর কাছে একজন ভোটারের প্রশ্ন ছিল- বিগত দিনে বিএনপি’র মেয়র থাকাকালে নগরীতে তেমন কোনও উন্নয়ন হয়নি, এর কারণ কী? পরবর্তিতে অন্য একটি প্রশ্নের উত্তর দেন বিএনপি’র এই মেয়র প্রাথী।