হরতালের কারণে জেলার অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নৈশ বাসগুলো পুলিশ প্রহরায় শহরের প্রবেশ করলেও জেলা শহরে কোনও গাড়ি চলাচল করতে দেখা যায়নি। হরতালের সমর্থনে এখন পর্যন্ত কোনও পিকেটিংও হয়নি। জেলার গুরুত্বপূর্ণস্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পিবিসিপি’র কেন্দ্রীয় সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মজিদ জানান, গত ৪ মে মাইক্রোবাস চালক সজিব হত্যার সুষ্ঠু বিচার, পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা, ১৬ এপ্রিল অপহৃত চার কাঠ ব্যবসায়ীর মুক্তি, পাহাড়ে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপন এবং র্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়নের (র্যাব) কার্যক্রম চালুর দাবিতে তারা এই হরতালের ডাক দিয়েছেন। তিনি সবাইকে হরতাল পালনে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
এর আগে শনিবার (৫ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে হরতাল আহ্বানকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা হরতাল হরতাল শিথিল করার আহ্বান জানান এবং পিবিসিপি নেতারা তা বিবেচনার আশ্বাস দেন বলে জানা গেছে।