বেড়ি বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় কয়রার ২৫ হাজার মানুষ আতঙ্কে

কয়রায় বাঁধ ভেগে ঘরবাড়ি ডুবে গেছে

খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের ২৫ হাজার মানুষ ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে। জোড়শিং বাজারের বেড়ি বাঁধের অংশ বিশেষ ভেঙে যাওয়ায় ১৩টি গ্রাম জলমগ্ন হয়ে পড়বে। শুক্রবার হঠাৎ ১৫০ ফুট জায়গা ভেঙে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এর ফলে বাজারের ৬টি দোকান ও ৩টি মৎস্য ডিপো ও লঞ্চঘাটের পল্টুন নদীর মাঝখানে চলে গেছে। আকষ্মিক এ ভাঙ্গনে ৪০ ফুট গভীরতা সৃষ্টি হয়েছে।

বাঁধ ভেঙে ডুবে যাওয়া দোকান

দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম কবি শামসুর রহমান বলেন,‘জোড়সিং বাজারের কাছে শাকবাড়িয়া নদীর বেড়ি বাঁধের দেড়শ’ ফুট এলাকা ভেঙে নদী গর্ভে চলে গেছে। বাজারের ৯টি দোকান এখন নদীর মাঝে। বাজার এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবশিষ্ট বেড়িবাধটুকু  ভেঙে গেলে ইউনিয়নের ১৩টি গ্রাম প্লাবিত হবে। যা আইলার মত ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি করতে পারে।’

জোড়শিং বাজারের মুদি ব্যাবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন,‘দোকানটি ছিল আমার আয়ের একমাত্র অবলম্বন। কিন্তু সে দোকানটি ভেঙে যাওয়ায় সংসার চালানো নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করছি। আইলার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এ দোকানটি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ ভাঙনে দোকান থেকে কোনও মালামালই বের করা সম্ভব হয়নি।’

বাঁধ ভেঙে ভাঙনের মুখে পড়েছে ঘর

পাউবোর আমাদী সেকশন কর্মকর্তা মো. মসিউল আলম বলেন, ‘জোড়শিং বাজারের বেড়ি বাঁধ ভাঙন রোধে ওপরের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিমুল কুমার সাহা বলেন, ‘জোড়শিং বাজারের বেড়িবাধটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’