আওয়ামী লীগ নেতা আজিজুল হক গত ২৩ মে শ্মশান কমিটি ও স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে একটি ব্যানার ঝুলিয়ে ক্ষমা চাইলেও তা স্পষ্ট ছিল না। ২৫ মে স্থানীয় কয়েকজনের উপস্থিতিতে আগের ব্যানার অপসারণ করে পৃথক ব্যানার ঝুলিয়ে দেন। সেটিতেও ক্ষমা চাওয়ার বিষয় স্পষ্ট ছিল না। সর্বশেষ ঝুলানো ব্যানারের ছবি রবিবার (২৭ মে) আদালতে উপস্থাপন এবং দখলের ঘটনায় নিঃশর্ত ক্ষমা চান আজিজুল হক। তার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন লায়েকুজ্জামান মোল্ল্যা। অপরদিকে রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট নয় বলে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
আজিজুল হকের ক্ষমা চাওয়া বিষয়টি নিয়ে আদালত সন্তুষ্ট হতে পারেননি। শুনানি শেষে স্থানীয় জনগণের কাছে স্পষ্টভাবে ক্ষমা চাইতে আজিজুলের পক্ষে আবারও সময় চাওয়া হয়। আদালত তা মঞ্জুর করে এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ৩১ মে পরবর্তী দিন ধার্য করেন।
শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আজিজুল হক ২০১৬ সালে বানাইল মহাশ্মশানের ৪ শতক জমি দখল করে সেখানে স্থাপনা নির্মাণের ঘোষণা দেন। এ নিয়ে গণমাশ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন যুক্ত করে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ হাইকোর্টে রিট করেন। ওই বছরের ৩১ জুলাই হাইকোর্ট রুল জারি এবং স্থাপনা নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি বিষয়টি তদন্ত করতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন। এ নির্দেশে জেলা প্রশাসক বিষয়টি তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এ অবস্থায় ২০১৬ সালে জারি করা রুলেরর ওপর শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে। এ রুলের ওপর শুনানির সময় গত ১৩ মে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতিকে তলব করেন হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন- খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল শুনানি মঙ্গলবার