পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বেলা ১১টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আমাদের ৫ ইউনিটের ৯ গাড়ি ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। আড়াই ঘন্টা চেষ্টার পর দুপুর দেড়টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু এখনও পুরোপুরি নির্বাপন কাজ শেষ হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘তিনতলা ভবনটি স্টিল স্ট্রাকচারের ওপর নির্মিত হওয়ায় আমরা ভবনের উপরে উঠে কাজ করতে পারছি না। এ কারণে একটু সময় লাগছে। কীভাবে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত সেটি এখনও জানা যায়নি। অগ্নি নির্বাপন শেষে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপনের করা হবে। প্রাথমিকভাবে আমরা নিশ্চিত হয়েছি, আগুনে কোনও হাতহতের ঘটনা ঘটেনি।’
আগুন নেভানোর কাজে দেরি হওয়ায় স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখে পড়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এ সর্ম্পকে পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দি বলেন, ‘আমাদের পাঁচটি গাড়ির পানি শেষ হয়ে যাওয়ায় আমরা কিছু সময়ে জন্য পানি সংগ্রহে ঝামেলায় পড়ে যাই। তখন স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের ওপর চড়াও হয়। পরে অবশ্য তারা (স্থানীয়রা) তাদের ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত হয়েছেন।’
আরও পড়ুন- রাঙামাটিতে ছয় খুনের ঘটনায় চট্টগ্রাম থেকে তিনজন গ্রেফতার