চলতি বছরের ১৩ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এসব মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে নোয়াখালীর রাজাকার আমির আলী, জয়নাল আবেদিন ও একেএম মনসুর ওরফে আবুল কালাম রাজাকারকে ফাঁসি ও রাজাকার কুদ্দুসকে ২০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। এদের মধ্যে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত রাজাকার একেএম মনসুর ওরফে আবুল কালাম পলাতক রয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার চলাকালীন মো. ইউছুফ রাজাকার কারাগারে মারা যায়।
মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বাদল ও মো. কামাল উদ্দিন এবং শহীদ পরিবারের সদস্য মো. বাবুল ও শফিকুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন পর হলেও এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন রাজাকারের রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর সঙ্গে জড়িত অন্য রাজাকারদেরও খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করা এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে দণ্ডিতদের রায় কার্যকর করার দাবি জানান।
এছাড়া মানবতবিরোধী অপরাধীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে বন্টন করার জোর দাবি জানান তিনি।