গ্রেফতার ও হয়রানি না করতে পুলিশ সুপারকে নির্দেশ ইসির

নির্বাচন কমিশনগাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্রেফতারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) ছাড়া কাউকে গ্রেফতার বা হয়রানি না করতে জেলা পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম-সচিব ফরহাদ আহম্মদ খান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে রবিবার (২৪ জুন) গাজীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) হারুন অর রশীদকে এ নির্দেশনা দেন।
ওই চিঠিতে বলা হয়, বিএনপির নেতৃস্থানীয় পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার কাছে গাজীপুরের পুলিশ সুপারের (এসপি) বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছে। অভিযোগে তারা নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও হয়রানি বন্ধ করার কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি সব দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানায়। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন গাজীপুরের পুলিশ সুপারকে এ নির্দেশনা দেয়।
বিএনপি প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, ‘মামলা না থাকলেও তার নেতাকর্মী ও এজেন্টদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। পুলিশ তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশির নামে হয়রানি করছে।’ নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এ পরিস্থিতিতে আবহাওয়া আমার ভালো মনে হচ্ছে না।’ এ সময় তিনি দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়  ছাপানো ছবি দেখিয়ে বলেন, ‘পুলিশের গাড়িতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঘুরতেছে।’

এদিকে, সোমবার (২৫ জুন) দুপুরে ধানের শীষ প্রতীকের প্রধান এজেন্ট ও গাজীপুর জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব উদ্দিন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে গণগ্রেফতারের বিষয়ে দুটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন।