সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, এ নিয়ে গত দেড় মাসে ৬২৪ জন হেপাটাইটিস-ই আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৭৮জন রোগী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। বাকি ৪৪৬ জন নগরীর বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিকে চিকিৎসা নেন।
সম্প্রতি হেপাটাইটিস-ই তে আক্রান্ত হয়ে হালিশহর এলাকার তিন বাসিন্দা মারা যান। এ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় বুধবার (২৭ জুন) জন্ডিস আক্রান্ত রোগীর তথ্য চেয়ে সিভিল সার্জন নগরীর সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিঠি পাঠায়। সিভিল সার্জনের চিঠির পর বৃহস্পতিবার(২৮ জুন) বেসরকারি হাসপাতালগুলো থেকে ২১৮ জন আক্রান্ত রোগীর তথ্য পাঠানো হয়। সর্বশেষ শুক্রবার (২৯ জুন) আরও ২২৮জন আক্রান্তের খবর পায় সিভিল সার্জন অফিস।
আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এই পর্যন্ত আমরা ৬২৪জন হেপাটাইটিস-ই তে আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়েছি। গত দেড় মাস ধরে এইসব রোগী হেপাটাইটিস-ই তে আক্রান্ত হন। এদে অনেকে বর্তমানে সুস্থ হয়ে উঠছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজ (২৯ জুন) আমরা ওই এলাকায় গিয়ে প্রচারপত্র বিতরণ করেছি। অনেক বাসিন্দা ওয়াসার পানিতে দুর্গন্ধ পাওয়ার বিষয়টি আমাদের জানিয়েছেন। আমরা ওই এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে পানির ট্যাংক চেক করে দেখেছি। বেশিরভাগ পরিবারের পানির ট্যাংকে পোকামাকড়সহ নানা ময়লা পেয়েছি। ওইসব বাড়ির মালিককে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পানির ট্যাংক পরিষ্কার করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন-
হেপাটাইটিস ই’র ঝুঁকি কমাতে পারে সচেতনতা
চট্টগ্রাম ওয়াসার পানি পরীক্ষায় তিন সদস্যের কমিটি
হালিশহরে পানির কারণেই হেপাটাইটিস-ই’র প্রাদুর্ভাব!