মঈন খান বলেন, ‘সামনে জাতীয় নির্বাচন আসছে। আমাকে অনেকেই প্রশ্ন করেন বিএনপি কি নির্বাচনে যাবে? । অনেক বিদেশি রাষ্ট্রদূতরাও এমন প্রশ্ন করেন। আমি তখন তাদের একটা কথাই বলি যে, বিএনপি নির্বাচনে যাবে কি যাবেনা এ প্রশ্ন না করে যারা দেশ চালাচ্ছেন,জনগণের প্রতিনিধি না হয়েও যারা ক্ষমতা ধরে রেখেছেন, তাদের জিজ্ঞাস করেন একটি সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেওয়ার সৎ সাহস তাদের আছে কি না? আমার জানামতে তাদের সেই সাহস নেই।’
এই বিএনপি নেতা বলেন,‘নির্বাচন কারও দয়ার বিষয় নয়। সরকার দয়া করে নির্বাচন দেবে, আর আমরা গৃহপালিত বিরোধী দল হবার জন্য সেই নির্বাচনে অংশ নেব তা কখনও হবে না। নির্বাচন প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার। এখানে প্রতিটি ভোটার তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন। কারও ভোট ছিনিয়ে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। আমরা তা আর হতে দেব না।’
মঈন খান আরও বলেন, ‘বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। দেশে ১৭ কোটি মানুষের মধ্যে ৯ কোটি ভোটার রয়েছে। সরকার সেই ভোটারদের ঘরে বন্দি করে তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে জনগণের ভোটাধিকার হনন করবে তা আমরা হতে দেব না।’
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন পলাশ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এমএ বাছেদ ভূঁইয়া। অন্যানের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন,বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফেরদৌস আহমেদ খোকন, নরসিংদী জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হাসান উদ্দিন সরকার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এরফান আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলম মোল্লা, পৌর যুবদলের সভাপতি মাহামুদুল হক মোমেন, থানা ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম মোস্তাক, সাধারণ সম্পাদক মকবুল মোরশেদ রতন প্রমুখ।