চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও নগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রবিবার মামলার নিয়মিত শুনানির তারিখ ছিল। শুনানির সময় আসামি আদালতে হাজির না হওয়ায় বিচারক তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।’
এর আগে একই ঘটনায় দায়ের করা আরেকটি মামলায় গত ৩১ মে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির অভিযোগ এনে ওই মামলাটি দায়ের করেন ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন মুহুরী। এ ঘটনায় এই মামলাটি ছাড়া আরও তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে গত ৩১ মে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন নগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি। আর এর আগে গত ৩০ মে একটি মামলা দায়ের করেন ফটিকছড়ি থানায় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন।
এই চারটি মামলার দুটিতে তিন সপ্তাহের অন্তবর্তী জামিনে পেয়েছিলেন গিয়াস কাদের চৌধুরী। তার আবেদনের পর গত ৩ জুন বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি সোহরাওয়ার্দীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তিন সপ্তাহের আগাম জামিন আদেশ দেন।
প্রসঙ্গত, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গত ২৯ মে বিকালে ফটিকছড়ি উপজেলা সদরের জে ইউ পার্ক কমিউনিটি সেন্টারে আলোচনা সভা ও ইফতারের আয়োজন করে স্থানীয় বিএনপি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী। ওই সভায় গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেন বলে এজহারে অভিযোগ করা হয়। এজহারে বলা হয়, ওই অনুষ্ঠানে কাদের চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘আপনার অবস্থা আপনার বাবা চেয়ে খারাপ হবে।’