মিজানুর রহমান শাওন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার ছাতারী গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে ও বগুড়ার শেরপুরের টাউন কলোনী এলাকার মৃত শামসুল করিমের জামাতা। তিনি ডাক্তার পরিচয়ে বাড়িতেই ফিজিওথেরাপি দিয়ে থাকেন। শুক্রবার সকালে গোপনে খবর পেয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সদস্যরা শেরপুরের মাদ্রাসাপাড়ার বাসায় অভিযান চালান। ঘরে বাজারের ব্যাগ থেকে ৩৯ বোতল ফেনসিডিল ও ৬টি খালি বোতল উদ্ধার করা হয়। পরে মাদক রাখার অপরাধে মিজানুর রহমান শাওনকে গ্রেফতার করা হয়।
বগুড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ‘ক’ সার্কেলের ইন্সপেক্টর শাহ জালাল মামুন জানান, ‘শাওন দাবি করেছেন তিনি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ থেকে ফিজিওথেরাপি বিষয়ে ডিপ্লোমা করেন। পরে সেখানে ইন্টার্নশিপও করেছেন। বর্তমানে বাড়িতে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। বাড়তি আয়ের জন্য রাজশাহীর বাঘা থেকে ফেনসিডিল এনে বিক্রি করেন।’
শেরপুর থানার ডিউটি অফিসার এসআই সবুজ ইসলাম জানান, মামলা দায়েরের পর আসামিকে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।