অভিযোগের বিবরণে জানানো হয়, ২৬ জুলাই বিকাল আনুমানিক ৬টার দিকে বদিউজ্জামান সাহেদ তার ফেসবুক আইডিতে ‘দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু করার প্রহসনের প্রতিশ্রুতির নমুনা’ শিরোনামে ‘রাজশাহী সিটি নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ভাইয়ের পায়ে গুলি করেছে পুলিশ’ লিখে স্ট্যাটাস দেয়। এদিকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল পাথরঘাটা পৌরসভা শাখার সভাপতি হাসান আল বাকের মেসাল তার ফেসবুক আইডিতে ‘মানবতা আজ মৃত, হিংস্রতা আজ উল্লাসে মেতেছে...ধিক্কার এই স্বৈরশাসকের শাসনের.. রাজশাহী সিটি নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ভাইয়ের পায়ে গুলি করেছে পুলিশ...’ লিখে তার ফেসবুক আইডিতে মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলে একটি ছবিসহ স্ট্যাটাস দিয়ে অপপ্রচার এবং গুজব ছড়ান।
এই অভিযোগে সাক্ষী করা হয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি সদস্য এসএম কামাল হোসেন এবং মনিরুজ্জামান শেখ রাহুলকে। থানায় অভিযোগে বলা হয়, এই দুই সাক্ষী ফেসবুকে এই স্ট্যাটাস দেখে বাদীকে বিষয়টি জানান। এতে বাদী চরমভাবে মর্মাহত হন এবং তার অনুভূতিতে আঘাত লাগে।
তিনি অভিযোগ করেছেন, ‘মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগ নগর সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনও একজন মেয়র প্রার্থী। মিথ্যা স্ট্যাটাস আপলোড করে সরকার দলীয় মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাধারণ জনগণের অনুভূতিতে আঘাত করেছে।’
এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইফতে খায়ের আলম বলেন, ‘আমরা অভিযোগ দুটি পেয়েছি। মামলা হিসেবে রেকর্ড হবে কিনা তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
আরও পড়ুন-
রাজশাহীতে বিকাশের মাধ্যমে ভোটারদের টাকা দেওয়ার অভিযোগ