এক কেন্দ্রের ভোটেই জিতে গেলেন আরিফ

১৩২টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণার পর ভি চিহ্ন দেখান আরিফ (ফাইল ছবি)

সিলেট সিটি করপোরেশনের স্থগিত হওয়া দুই কেন্দ্রের মধ্যে একটিতে বিএনপির মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন এক হাজার ৫৩ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন তিনশ’ ৫৪ ভোট। এ কেন্দ্রে বাতিল হয়েছে ৫০টি ভোট।

শনিবার (১১ আগস্ট) বিকালে ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের হবিনন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা আলীমুজ্জামান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এক হাজার ৫৩ ভোট পাওয়ায় সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র এখন আরিফুল হক চৌধুরী। অপর কেন্দ্রের ফল প্রকাশ বাকি, তাই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও না এলেও সিলেট সিটি নির্বাচনের আগের ফল অনুযায়ী বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীকে বিজয়ী মেয়র বলায় কোনও বাধা রইলো না। বিজয়ী হওয়ার জন্য তার ভোট দরকার ছিল মাত্র ৮১টি।

রিটার্নিং কর্মকর্তা আলীমুজ্জামান জানান, হবিনন্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটার দুই হাজার ৫৬৬ জন। এ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে এক হাজার ৪৫৬টি।

শনিবার (১১ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে সিলেট সিটির ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের গাজী বুরহানউদ্দিন গরম দেওয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের হবিনন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এ দুই কেন্দ্রে মোট ভোটার হলেন চার হাজার সাতশ’ ৮৭টি। এ দুই কেন্দ্র মিলে ৮১ ভোট পেলে আরিফের জয় পাওয়ার কথা। এর মধ্যে কেবল হবিনন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আরিফ পেয়েছেন এক হাজার ৫৩ ভোট।

গত ৩০ জুলাই সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১৩৪টি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় অনিয়মের কারণে দুপুরের দিকে গাজী বুরহানউদ্দিন গরম দেওয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং হবিনন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। এরপর সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস ১৩৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩২টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করে। ওই ফলে বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী ৪ হাজার ৬২৬ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। ১৩২টি কেন্দ্রে আরিফুল হকের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৯০ হাজার ৪৯৬টি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৮৫ হাজার ৮৭০টি। তখন বলা হয়েছিল স্থগিত দুটি কেন্দ্রে আর মাত্র ৮১ ভোট পেলেই মেয়র পদে নির্বাচিত হবেন আরিফুল হক চৌধুরী।