দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে যুবলীগ কর্মী রমজান আলী ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার ভাই মোহাম্মদ সিজন (১৬) চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
নিহত দুই ভাই একই উপজেলার বারৈয়ারঢালা ইউনিয়নের মহালঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। রমজান স্থানীয় বারৈয়ারঢালা ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য ছিলেন।
হাসান তারেক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সীতাকুন্ডের ছোট দারোগাহাস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে রমজান আলী ও তার ভাইয়ের ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। তাদের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে ঘটনাস্থলেই রমজান আলীর মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা তার ভাইকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে পাঠালে সেখানে তারও মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত থানায় কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি। সন্দেহভাজন কাউকে আটক করা হয়নি।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শীলাব্রত বড়ুয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, যুবলীগ কর্মীর রমজান আলীর ভাই সিজনকে রাত ৮টার দিকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে সে মারা যায়। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে ছুরিকাঘাতে চিহ্ন ছিল।