সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধে সরকার সিদ্ধান্ত নিলেও তা মানা হচ্ছে না। সরেজমিনে দেখা যায়, বগুড়ার বিভিন্ন মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা, ভ্যান, অটো রিকশাসহ বিভিন্ন থ্রি-হুইলার চলাচল করেছে। এ প্রসঙ্গে হাইওয়ে পুলিশ বগুড়া অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তারা চেষ্টা করছেন। কিন্তু লোকবল কম হওয়ায় ওই নির্দেশ বাস্তবায়নে সময় লাগবে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মহাসড়কে অবাধে ভটভটি, নসিমন, করিমন, ইজিবাইক, লেগুনা, অটো-টেম্পুসহ বিভিন্ন যানবাহন অবাধে বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে থাকে। এতে মাঝে মাঝে মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।
মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে শহরতলির মাটিডালি থেকে বনানী পর্যন্ত প্রথম ও দ্বিতীয় বাইপাস সড়ক ঘুরে দেখা গেছে- রিকশা, ভ্যান, ব্যাটারি চালিত রিকশা ও ভ্যান, সিএনজি অটো রিকশাসহ বিভিন্ন থ্রি-হুইলার চলাচল করছে। মহাসড়কে কোনও পুলিশ দেখা যায়নি। বগুড়া-নাটোর মহাসড়কেও একই অবস্থা।
এ ব্যাপারে হাইওয়ে পুলিশ বগুড়া অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘১৬ জেলায় ১৪টি থানা রয়েছে। লোকবলের অভাবে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন সম্ভব হচ্ছে না। মহাসড়কে থ্রি হুইলার চলাচল বন্ধে সময় লাগবে। এরপরও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কোনও কোনও এলাকায় এসব যানবাহন জব্দ করে পুকুরে ফেলে বা নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে।’ তিনি এ ব্যাপারে জনগণকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন।