স্থানীয়রা জানান, মতলব দক্ষিণ উপজেলায় চরনিলক্ষ্মী গ্রামে বিয়ের কথা বলে ওই স্কুলছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণ করে আল আমিন কিরণ নামের এক যুবক। পরে গত ২৬ আগস্ট রাতে ঘটনাটি মিমাংসার জন্য সালিশ বৈঠক হয়। কিন্তু এলাকায় বিচার না পেয়ে থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করে মেয়ে পক্ষ।
স্কুলছাত্রীর চাচা জানান, তার ভাতিজিকে দীর্ঘদিন যাবত স্কুলে যাওয়া আসার পথে উত্ত্যক্ত করতো কিরণ। এক পর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে সে। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে ২৬ আগস্ট রাতে দুই পক্ষকে নিয়ে সমঝোতার জন্য সালিশ বসে। সালিশ বৈঠকে উভয়ের স্বীকারোক্তি নিয়ে ৪ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য্য করে বিয়ের বিষয়ে লিখিত সিদ্ধান্ত হয়। এ ঘটনার পরদিন ছেলের পক্ষ সালিশের সিদ্ধান্ত না মেনে উল্টো মেয়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে। এ অবস্থায় এলাকায় বিচার না পেয়ে গত ২৯ আগস্ট মেয়ের ভাই বাদী হয়ে আল-আমিন কিরণের বিরুদ্ধে মতলব দক্ষিণ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এরপরই তারা বিয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।
স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ওয়াহিদুজ্জামান মৃধা বলেন, ‘ঘটনাটি মেয়ের পক্ষ আমাকে অবহিত করেছে। আমি এলাকায় খোঁজ নিয়ে জেনেছি ঘটনাটি সত্য।’
মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ একেএমএস ইকবাল বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পর পরই এসআই জহিরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান।’