কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গত একমাসে ২০ কোটি ৯২ লাখ ৪৭ হাজার ৩৫২ টাকার মাদক জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসময় ৪১ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে এবং এসব ঘটনায় ১২৯টি মামলা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, গত ১-৩১ আগস্ট পর্যন্ত কক্সবাজারের টেকনাফের নাফনদী ও সীমান্ত সংলগ্ন বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা, ক্যান-বিয়ার, চোলাই মদ, বিদেশি মদ ও বিভিন্ন ধরনের ২০ কোটি ৯২ লাখ ৪৭ হাজার ৩৫২ টাকার মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে ১৯ কোটি ৬৮ লাখ ২৬ হাজার ৭০০ টাকার।
সূত্র আরও জানায়, গত একমাসে ছয় লাখ ৫৬ হাজার ৮৯ পিস ইয়াবা, একহাজার ৬০৭ ক্যান-বিয়ার, ৩৪ বোতল বিদেশি মদ, ৩০০ লিটার চোলাই মদ এবং এককোটি ১৮ লাখ ৭৭ হাজার ৯০২ টাকার অন্য মাদক। এ ঘটনায় ৪১জন পাচারকারিকে আটক করা হয়েছে এবং ১২৯টি মাদক মামলা দায়ের হয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, কক্সবাজারের টেকনাফকে মাদকের রুট হিসেবে চিহ্নিত করেছে সরকার। মাদকবিরোধী অভিযানের আগে-পরে টেকনাফ সীমান্তে নতুন করে পাঁচটি ক্যাম্প বসানো হয়। এর পাশপাশি বিজিবি, কোস্টগার্ড ও পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানো হয়। তবুও সীমান্ত দিয়ে মাদকপাচার থেমে নেই।
টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক) মেজর শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার বলেন, ‘সীমান্তে মাদক ঠেকাতে বিজিবির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তবু থেমে নেই মাদকের পাচারকারীরা।’