মঙ্গলবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের পক্ষে পঞ্চগড়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুবল চাকমা রেকর্ড ও নকশা গ্রহণ করেন। জরিপ বিভাগের পক্ষে দিনাজপুর জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার শামসুল আজম এ রেকর্ড ও নকশা হস্তান্তর করেন।
দিনাজপুর জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে অনুষ্ঠিত রেকর্ড ও নকশা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে জরিপ বিভাগের কারিগরি উপদেষ্টা বিপুল কুমার সরকার, বোদা উপজেলার সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার মফিজুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দিনাজপুর জোনাল সেটেলম্যান্ট অফিস সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড় জেলার বিলুপ্ত ছিটমহলের সংখ্যা ৩৬টি, মৌজার সংখ্যা ১৯টি, খতিয়ানের সংখ্যা ২৬ হাজার ৪৪৭টি, জমির পরিমাণ ১১ হাজার ৯৬২ দশমিক ৭৮ একর।
২০১৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি জরিপ শুরু হয়। সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মঙ্গলবার দুপুরে জমির চূড়ান্ত রেকর্ড ও নকশা হস্তান্তর করা হয়েছে।
বোদা উপজেলার সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার মফিজুর রহমান জানান, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ২০১৫ সালের ৬ জুন অনুষ্ঠিত দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে চুক্তির আলোকে ভূমি জরিপের কার্যক্রম গ্রহণ করে জরিপ বিভাগ। এতে করে জমির মালিকানা নিশ্চিত হয়েছে বিলুপ্ত ছিটমহলবাসীর।’
দিনাজপুরের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার শামসুল আজম জানান, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্রুততম সময়ে বিলুপ্ত ছিটমহলের ভূমি জরিপের কাজ শেষে জমির রেকর্ড ও নকশা প্রদান করা হয়েছে। যা বিলুপ্ত ছিটমহলের জন্য ছিল বিরাট চ্যালেঞ্জ। ছিটমহল বিনিময়ের সময় বড় ইস্যু ছিল জমির মালিকানা। এই মালিকানা নির্ধারণের কাজটি আমরা সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে পেরেছি।’