মঙ্গলবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর মুসলিম ইনস্টিটিউট হলে আয়োজিত মাদকবিরোধী এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। কোতোয়ালি থানা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির উদ্যোগে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে পুলিশ কমিশনার প্রধান অতিথি ছিলেন।
মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘এ পুলিশ সদস্যরা (যারা ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত) সিএমপির না। আমি তাদের ওউন করি না। আমার পুলিশ ব্যর্থ হতে পারে, কিন্তু কেউ ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকবে এটা হতে পারে না। যদি কেউ থেকে থাকেন তাহলে পুলিশের চাকরি ছেড়ে ব্যবসা শুরু করে দিন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ীদের কোনও ধর্মীয় উপদেশ দিয়ে কাজ হবে না। বড় ভাই হয়ে উপদেশ দিলেও কাজ হবে না। কারণ এই ব্যবসায় ঝুঁকির চেয়ে লাভ বেশি। ৫০ টাকার ইয়াবা এনে ৫০০ টাকায় বিক্রি করে। এক পিস ইয়াবায় যদি ৪৫০ টাকা লাভ হয় তবে সে এই ব্যবসা ছাড়বে কেন? তাই কোনও উপদেশ কাজ হবে না। সবচেয়ে বড় কাজ হবে যেটা সেটা হচ্ছে জীবনহানি।’
পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘সীমান্ত রক্ষায় যারা আছেন তাদের ব্যর্থতার কথা আপনারা কেউ বলেন না। আমরা কেউ চিন্তা করি না মাত্র ১২০ কিলোমিটার সীমান্ত রক্ষা করতে পারলে এ ইয়াবা আসতে পারতো না। ইয়াবা প্রবেশের এই উৎসমুখটা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।’
কোতোয়ালি থানা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের আহ্বায়ক সাহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন দৈনিক আজাদী সম্পাদক ও মহানগর কমিউনিটি পুলিশিংয়ের আহ্বায়ক এম এ মালেক, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) আমেনা বেগম, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মোস্তাইন হোসেন, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন প্রমুখ।
আরও পড়ুন- ইয়াবা পাচারের দায়ে গ্রেফতার এসআই দুই দিনের রিমান্ডে