এদিকে শাহ আলমের লাশ এলাকায় পৌঁছলে এলাকা ও পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। শাহ আলমের মা হুরিয়া বেগম ও স্ত্রী আম্বিয়া বেগমসহ স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। নিহতের মা হুরিয়া বেগম জানান, দুর্ঘটনার দুই দিন আগে মোবাইলে ছেলের সঙ্গে তার কথা হয়। ছেলে তাকে দুশ্চিন্তা করতে নিষেধ করেন। আগস্ট থেকে বাড়িতে টাকা পাঠাবে বলে জানিয়েছিল।
দেউলি গ্রামের বাসিন্দা আবু তালেবসহ অন্যরা জানান, শাহ আলম দেউলি গ্রামের দিনমজুর সায়েন উদ্দিন মোল্যার বড় ছেলে। বাবার দিনমজুরির টাকায় সংসার চলতো না বলে শাহ আলম ১০ মাস আগে এক আত্মীয়ের মাধ্যমে বৈধ ভিসায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ নিয়ে সৌদি আরব যান। এ সময় প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করতে বিভিন্ন এনজিও’র পাশাপাশি নিকটাত্মীয়দের কাছে ধার করেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বাড়িতে একটি টাকাও পাঠাতে পারেননি। যে কারণে পাওনাদারদের চাপে পরিবারটি চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। বাবা মা ছাড়াও শাহ আলমের সংসারে রয়েছে স্ত্রী ও আকাশ নামে দুই বছরের এক ছেলে সন্তান।