আহত মাদরাসা সুপার লুৎফর রহমান পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় অন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
মাদরাসা সুপার লুৎফর রহমান বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক আরিফুর রহমানের নিবন্ধন সনদ ভুয়া। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি টিম ২০১৫ সালে অডিট করে বিষয়টির সত্যতা পায়। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিভাগে প্রতিবেদন পাঠান তিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সহকারী শিক্ষক আরিফুর রহমান একটি চিঠি হাতে মাদরাসায় আসেন। তিনি এ চিঠির বিষয়ে জানতে চান। এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে লাঠি দিয়ে তাকে মারপিট করেন।’ তিনি দাবি করেন, ‘সহকারী শিক্ষক আরিফুর রহমানের নিবন্ধন সনদ ভুয়া প্রমাণিত হওয়ার ব্যাপারে তাকে দায়ী করা হচ্ছে।’
মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রবিউল ইসলাম আপেল সুপারকে মারপিটের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক আরিফুর রহমান ফোন বন্ধ রাখায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে বিকেল পর্যন্ত থানায় কোনও অভিযোগ করা হয়নি।