এলাকার জনপ্রতিনিধি সনিয়া আক্তার সুচি, সাংবাদিক আহমেদ সুবির, গাড়িচালক আব্দুল আওয়াল জানান, বাঞ্ছারামপুর থেকে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর এবং হোমনা যাওয়ার জন্যে এতোদিন খেয়া এবং নৌকায় করে তিতাস নদী পাড়ি দিতে হতো। এতে কয়েক ঘণ্টা সময় পথেই নষ্ট হতো। বিকল্প কোনও পথ না থাকায় খেয়াঘাটে সময় নষ্ট হতো। রোগী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ ছিল সীমাহীন। তবে এখন সেতুটি নির্মাণের ফলে অল্প সময়ে সড়ক পথে গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, ‘রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতুটির উদ্বোধন করবেন। এজন্য স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সেতুটি চালু হলে বাঞ্ছারামপুর অঞ্চলের সাধারণ মানুষের যাতায়াতের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত সূচনা হবে। আর্থ-সামাজিক ব্যাপক উন্নয়ন ঘটবে।’
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী ফজলে হাবিব জানান, ‘দীর্ঘ সাত বছর অপেক্ষার পর নানা খুঁটিনাটি কাজ শেষে আগামীকাল রবিবার দেশের একমাত্র এই একমাত্র ওয়াই সেতুর উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতুটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের একমাত্র বড় প্রকল্প। এটি চালু হওয়ার পর এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের সহজে যাতায়াতের যে প্রত্যাশা ছিল সেটি পূরণ হবে।’
প্রায় ৭৭১ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৮.১০ মিটার প্রস্থের সেতুটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে নামকরণ করা হয়েছে। সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৯৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। সেটি চালু হলে বাঞ্ছারামপুর, কুমিল্লা জেলার হোমনা, মেরাদনগর এলাকার অন্তত পাঁচ লাখ মানুষ উপকৃত হবে।
আরও পড়ুন- প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগেই দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতুর সংযোগ কালভার্টে ধস