জানা গেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ ২০ বছর আগে কচুয়াকাঠী খালে লোহার খুঁটির ওপর ইটের খোয়া ও সিমেন্টের ঢালাই সেতুটি নির্মাণ করে। কাউখালী সদর ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রশীদ মিল্টন জানান, সেতুর ওপর দিয়ে প্রতিদিন সরকারি বালিকা বিদ্যালয়, আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কাজী হারুন আর-রশীদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীসহ হাজার হাজার মানুষ চলাচল করতো। এছাড়া এ সেতুর ওপর দিয়ে কাউখালী খাদ্য গুদামের মালামাল পরিবহন করা হতো। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় জনগণের ভোগান্তি বাড়লো।
কাউখালী উপজেলা প্রকৌশলী হরষিত সাহা জানান, ‘সেতু ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। চেষ্টা করছি স্বল্প সময়ে সেতুটি সংস্কার করার।’
স্থানীয় বাসিন্দা কাউখালী পুজা উদযাপন পরিষদের প্রচার সম্পাদক শিক্ষক সুব্রত কুমার রায় জানান, ‘দুই মাস পরেই কাউখালী শ্রী গুরু সংঘের বাৎসরিক উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এ উৎসবে এক থেকে দেড় লাখ লোকের সমাগম হবে। লোকজনের চলাচলের জন্য এ সেতুটি শিগগিরই মেরামত করা দরকার।’