সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) যমুনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধে আবারও ধস দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত বাঁধের প্রায় ৪শ’ মিটার অংশসহ ১৫টি ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে স্থানীয়রা বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন।
গত এক বছরে এ বাঁধে কমপক্ষে ১৫ বার ধস নামে। ভাঙন ঠেকাতে এবারও পাউবো থেকে জিটেক্স বালির বস্তা ফেলা হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল পাউবো সূত্র জানায়, যমুনা নদীর ভাঙনের হাত থেকে চৌহালী উপজেলা সদর ও টাঙ্গাইলের সীমান্তবর্তী এলাকা রক্ষায় সাত কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করে পাউবো। ২০১৭ সালে বাঁধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়। এতে রক্ষা পায় নদীর পূর্ব পাড়ের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সরাতৈল থেকে দক্ষিণে নাগরপুর উপজেলার পুকুরিয়া, শাহজানীর খগেনের ঘাট, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার ঘোরজানের চেকির মোড়, আজিমুদ্দিন মোড়, খাসকাউলিয়া, জোতপাড়াসহ আরও বেশ কিছু গ্রাম। বৃহস্পতিবার রাতে যমুনার প্রবল স্রোতে বাঁধের পশ্চিম জোতপাড়া অংশে ভাঙন দেখা দেয়। শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত ৪শ’ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এসময়ে ১৫টি ঘরবাড়িও নদীতে বিলীন হয়। তীরে উঠে জীবন রক্ষা করে অন্তত ৫০ জন মানুষ।
চৌহালীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত ইউএনও) আনিসুর রহমান জানান, বাঁধে গত একবছরে কমপক্ষে ১৫ বার ধস দেখা যায়। প্রতিবারই পাউবো থেকে বালির বস্তা ফেলা হয়।
টাঙ্গাইল পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান জানান, বিষয়টি জানার পর বাঁধ রক্ষায় বালির বস্তা ফেলার জন্য নির্দেশ দেোয়া হয়েছে। প্রবল স্রোতের কারণে বাঁধে গত একবছরে বেশ ক’বার ধস দেখা দেয়। আমরা বাঁধ রক্ষার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’