স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন পর পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডে জঙ্গি সম্পৃক্ততা দেখিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলেও তা নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সেসব প্রশ্নের উত্তর না মিললে এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার হবে না। এ কারণে প্রকৃত হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
সাংবাদিক নেতারা বলেন, দীপঙ্কর চক্রবর্তী ছিলেন একজন নির্বিবাদী মানুষ। অথচ তাকে ২০০৪ সালের এই দিনে নিজ কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা করে। ওই হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ থেকে শুরু করে পুলিশ প্রশাসন হত্যাকারীদের চিহ্নিত করার দাবি করলেও, তা ছিল মূলত প্রহসন। বরং এই ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালানো হয়। সেইসঙ্গে নষ্ট করা হয় হত্যার আলামত। এরপর কয়েক দফা আদালতে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করে পুলিশসহ তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। সর্বশেষ গত বছর পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডে জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সম্পৃক্ততার বিষয়টি সামনে এনে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
নেতারা আরও বলেন, যারাই এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকুক না কেন, তাদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার নিষ্পত্তি করতে হবে। সভা থেকে সাংবাদিক দীপঙ্কর চক্রবর্তীর নামে খুব শিগগিরিই স্মৃতি পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিইউজে সভাপতি আমজাদ হোসেন মিন্টুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জে এম রউফের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন– বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) নির্বাহী সদস্য ও বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম নয়ন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফ রেহমান, সিনিয়র সাংবাদিক সমুদ্র হক, চপল সাহা, শফিউল আযম কমল, মাসুদুর রহমান রানা, মোহন আখন্দ, এসএম কাওসার, কমলেশ মোহন্ত সানু, সবুর আল মামুন, আসাফ উদ দৌলা ডিউক, প্রদীপ মোহন্ত, মামুন উর রশিদ, গৌরব চন্দ্র দাস, এম সারওয়ার খান, ফরহাদ শাহী, মেহেরুল সুজন, ইলিয়াস হোসেন প্রমুখ।