বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত রাস্তা অবরোধ করে রাখেন তারা। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের সংগঠন ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়।
এ সময় কোটা পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কয়েকজন আদিবাসী ও প্রতিবন্ধীও যোগ দেন। আদিবাসীরা ৫ শতাংশ এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা ৩০ শতাংশ কোটা পুনর্বহালের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
আন্দোলনকারীরা সাংবাদিকদের বলেন, ‘অবিলম্বে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহাল না করা হলে ক্যাম্পাসসহ গোটা দেশ অচল করে দেওয়া হবে।’
এ সময় আন্দোলনকারীরা মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অব্যাহতি দাবি করেন।
আন্দোলনের একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক নাসিমুজ্জামান এবং বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন শেখ এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ যৌক্তিক আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছে।’
এ সময় রাস্তার দুইপাশে যানজটে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। তবে মানবিক দিক বিবেচনা করে কিছু জরুরি পরিবহনকে যাতায়াতের সুযোগ করে দেন আন্দোলনকারীরা।
প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন বাসযাত্রী বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘বিক্ষোভের জন্য এখনকার যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে গেছে। এজন্য যাত্রীদেরকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।’
আন্দোলনকারীরা সন্ধ্যায় মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে কর্মসূচি ঘোষণা করে অবরোধ তুলে নেন।