নিহত ইউপি সদস্যের নাম খবির মৃধা। তিনি বাঁশগাড়ি ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানায়, এলাকায় আধিপত্য নিয়ে বাঁশগাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান সুমনের সমর্থকদের সঙ্গে ইউপি সদস্য খবিরের বিরোধ ছিল। এর জেরে সুমনের লোকজন খবির ও তার লোকজনের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। এ সময় বেশ কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে বোমার আঘাতে ইউপি সদস্য খবির মৃধা নিহত হন। এছাড়া আহত হন আরও ৩ জন।
সূত্র আরও জানায়, আহতদের উদ্ধার করে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরমধ্যে সুমনের সমর্থক মিরাজ ঘরামীর শরীর থেকে হাত ও পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এ ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মল্লিকা সাহা বলেন, ‘আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজনকে বরিশালে পাঠানো হয়েছে। তার পায়ের নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন ছিল, হাতের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের ক্ষত রয়েছে।’
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বজরুল আলম মোল্লা বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’