আর কয়েকদিন পরই কাশ ফুল ফোটা শরতের শারদীয়া দুর্গোৎসবে ঢাকের বাজনা, উলুধ্বনি ও আরতীতে মুখরিত হবে পাড়া-মহল্লা ও গ্রাম। এ বছর দেবী দূর্গা ঘোটকে (ঘোড়া) চড়ে পৃথিবীতে আসবেন। আগামী ১৫ই আক্টোবর মহা ষষ্ঠিতে দেবী বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে পূজার অনুষ্ঠানিকতা। চলবে আগামী ১৯শে আক্টোবর পযর্ন্ত।
এখন রঙ তুলির টানে প্রতিমাগুলো ফুটিয়ে তুলতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে মৃৎশিল্পীরা। এ বছর একেকজন ভাস্কর গড়ে ২ থেকে ৪টি করে প্রতিমা তৈরি করেছেন।
এদিকে শারদীয়া দূর্গা পূজা উপলক্ষে মণ্ডপ তৈরি থেকে শুরু করে আনুষঙ্গিক কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজকরা। জাঁকজমকভাবে পূজা আর দর্শনার্থীদের আনন্দ দিতে মণ্ডপ আর সড়কগুলোতে অলোকসজ্জার কাজ শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ডা. অসিত কুমার মল্লিক জানান, নিজস্ব সেচ্ছাসেবক ছাড়াও মন্দিরগুলোর তালিকা করে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে।