এ সরকার উদ্যোগ নিলে তা আটকে থাকে না: সংস্কৃতিমন্ত্রী

বক্তব্য রাখছেন আসাদুজ্জামান নূর (ছবি– প্রতিনিধি)

বর্তমান সরকার কোনও উদ্যোগ নিলে তা আটকে থাকে না বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। তিনি বলেন, ‘২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নীলফামারীতে উত্তরা ইপিজেড প্রতিষ্ঠা করেন। তখন একটি কারখানা দিয়ে উত্তরা ইপিজেড শুরু হয়। বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালে ইপিজেডটির কোনও উন্নয়ন হয়নি। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা আসার পর এ ইপিজেডে কল-কারখানা বৃদ্ধি পেতে থাকে। বর্তমানে এই ইপিজেডে ৩২ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।’

মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) বিকালের দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ব্রান্ডিং লোগো ‘উত্তরের শিল্পনগরী, দীপ্তিমান নীলফামারী’ বইয়ের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘এ ইপিজেডকে ঘিরে জেলায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য কল-কারখানা। আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে এখানে ৫০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে। যার ফলশ্রুতিতে পশ্চাৎপদ এই জেলার ব্রান্ডিং নামকরণ হয়েছে উত্তরের শিল্পনগরী, দীপ্তিমান নীলফামারী।’

তিনি আরও বলেন, ‘উত্তরা ইপিজেডে এখন দেশি-বিদেশিসহ ১৭টি কোম্পানি কাজ করছে। বেকার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছে জনবান্ধব আওয়ামী লীগ সরকার।’

নূর বলেন, ‘এক সময়কার মঙ্গা এখন যাদুঘরে। এখন নীলফামারীর মানুষ খেয়ে-পরে শান্তিতে ঘুমাতে পারছে। উত্তরা ইপিজেডের পাশাপাশি এখানে মেডিক্যাল কলেজ হয়েছে। এরপর অর্থনৈতিক অঞ্চল হবে, আইসিটি পার্ক হতে যাচ্ছে। এ ছাড়াও সৈয়দপুর আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিমানবন্দরটি চালু হলে পাশের দেশ ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক  জোড়দার হবে।’

জেলা প্রশাসক বেগম নাজিয়া শিরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন– পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, উত্তরা ইপিজেডের মহাব্যবস্থাপক আব্দুস সোবহান, উপ-মহাব্যবস্থাপক খালেদ মাহমুদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আব্দুল মোতালেব সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আজাহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শাহিনুর আলম, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রশীদ, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি অক্ষয় কুমার রায়, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলিমুদ্দিন বসুনিয়া, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মসফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

এর আগে মন্ত্রী সেখানে মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের আওতায় ৫৩টি স্বেচ্ছাসেবী নারী সমিতির মাঝে ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করেন।