রাজশাহী ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা আহসান কবীর লিটন বলেন, ‘রাজশাহী মহানগরীর একমাত্র সিনেমা হলটিও থাকবে না, সেটা মেনে নেওয়া যায় না। একমাত্র হলটিকে রক্ষা করার জন্য মেয়রের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। হলটি ব্যক্তি মালিকানায় হলেও রক্ষার জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করবো।’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ বকুল বলেন, ‘সিনেমা হল ভেঙে শুধু সিনেপ্লেক্স করা কোনও সমাধান নয়। সেখানে উচ্চবিত্ত পরিবারের লোকেরা সিনেমা দেখতে যাবে, সাধারণ মানুষ সেখানে যাবার সুযোগ পাবে না। তাই সরকারের কাছে আমরা দাবি জানাচ্ছি যে, কালচারাল কমপ্লেক্স হিসেবে প্রতি জেলায় একটি করে সিনেমা হল রাখতে হবে। সেখানে সিনেমা হল থাকবে নিচতলায়, উপরতলা থাকবে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর জন্য কালচারাল কমপ্লেক্স হিসেবে। সেখানে একটি সিনেপ্লেক্সও রাখা যেতে পারে। এটা সিটি করপোরেশন অধিগ্রহণ করেও করতে পারে। স্মারকলিপিতে এই দাবিগুলোও জানানো হয়েছে।’
এদিকে বৃহস্পতিবার বিকালে রাজশাহী সিনেমা দর্শক ফোরাম বৃষ্টি উপেক্ষা করে সিনেমা হলের সামনে অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি পালন করেছে। সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে হলটি বন্ধ না করার জন্য বক্তব্য রাখেন।
হলটির কর্মচারী সোহাগ আলী জানান, ‘বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সিনেমা চলেছে। শুক্রবার থেকে হল বন্ধ। মালিক পক্ষ আমাদের এমনটিই জানিয়েছেন।’
আরও পড়ুন- রাজশাহীতে ‘উপহার’ সিনেমা হল বন্ধ ঘোষণা, প্রতিবাদে আন্দোলন