রবিউল হাসান বলেন, ‘জেলেদের জন্য একটি বরাদ্দ পেয়েছি, সেগুলো আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বিতরণ করা হবে।’
উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ইলিশ রক্ষায় এবার প্রজনন মৌসুমে ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ ধরা ও বিক্রি করা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে এ সময়ে মা ইলিশ আহরণে বিরত থাকায় টেকনাফ উপজেলায় ১ হাজার ৭১১ জন জেলের জন্য চাল বরাদ্দ এসেছে। এসব জেলেদের জন্য ২০ কেজি করে ৩৪.২২ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। তবে টেকনাফ উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ছয়টি ইউনিয়নে সাত হাজার ৮৮৩ জন জেলে রয়েছে। এর মধ্যে বাহারছড়া ইউনিয়নে ২ হাজার ১৫১ জন জেলে রয়েছে। যে বরাদ্দ এসেছে তা জেলেদের তুলনায় খুবই কম। ফলে আরও ৬ হাজার ১৭২ জন জেলে চাল পাবে না।
জানতে চাইলে টেকনাফ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘১৭শ ১১ জন জেলের জন্য ২০ কেজি করে ৩৪.২২ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ এসেছে। কয়েকদিনের মধ্যে এ চাল বিতরণ করা হবে।’