বিসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সচিব মো. ইসরাইল হোসেন বলেন, ‘আগামী ২২ অক্টোবর নবনির্বাচিত মেয়র এবং কাউন্সিলরদের গণভবনে শপথ করানো হবে বলে আমাকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। তবে এখনও চিঠি হাতে আসেনি।’
গত ৩০ জুলাই বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর দুই মাস পরে নবনির্বাচিত মেয়র এবং ৩১ জন কাউন্সিলরকে সরকারি গেজেটভুক্ত করে নাম প্রকাশ করা হয়। তবে ৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণে অনিয়মের অভিযোগে ৯ কাউন্সিলরকে গেজেটভুক্ত করা হয়নি। ফলে শপথ অনুষ্ঠানের সময়ও পিছিয়ে যায়। সর্বশেষ গত ১৩ অক্টোবর ওই ৯ কেন্দ্রের পুনঃ ভোটগ্রহণের মাধ্যমে ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত করা হয়। এর পরপরই নবনির্বাচিত মেয়র এবং কাউন্সিলদের শপথ গ্রহণের বিষয়টি চূড়ান্ত করে নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ১৫ অক্টোবর শপথ গ্রহণের কথা থাকলেও প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকায় শপথ হয়নি। তাই দ্বিতীয় দফায় শপথের সময় পরিবর্তন করে আগামী ২২ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। ওইদিন গণভবনে বরিশাল সিটি’র নবনির্বাচিত মেয়রসহ সংরক্ষিত ও সাধারণ কাউন্সিলরসহ ৪০ জনকে শপথ পড়ানো হবে। শপথ পাঠ করাবেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এ বিষয়ে বলেন, ‘গত ১৫ অক্টোবর শপথ গ্রহণের দিন ছিল। প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকায় দিন পরিবর্তন করা হয়। আগামী ২১ অক্টোবর তিনি দেশে ফিরবেন। এর পর ২২ অক্টোবর শপথ হবে বলে শুনেছি। তবে এ সংক্রান্ত কোনও চিঠি এখনও পাইনি।’
উল্লেখ্য, গত ৩০ জুলাই বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ১ লাখ ১১ হাজার ৯৫৬ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মুজিবর রহমান সারোয়ার নির্বাচন বর্জন করেন। তিনি পান ১৩ হাজার ৭৭৬ ভোট।