প্রজনন মৌসুমে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মা নদী থেকে ইলিশ শিকারের দায়ে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় ৩০ জেলেকে ৮ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ২টা থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ওই জেলেদের আটক করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন– ইদ্রিস আলী সেক (৬০), মো. মিন্টু খাঁ (২৬), আনোয়ার কাজী (৫০), মো. সিরাজ (৩৫), মনির চোকদার (৩০), মো. রব্বানী (২০), মো. মিঠু (২৩), মো. জসিম (৩২), রমজান (২৮), জিন্নাত বেপারী (৩০), আ. হান্নান (২৫), হিরন মাতুব্বর (৩০), আহাদ মাতুব্বর (২৪), বাবু (৫০), রাজীব ফকির (৫৫), আলমগীর বেপারী (২২), মান্নান ফকির (৬০), হযরত আলী (২৯), সেলিম খান (৩০), জালাল শেখ (৪০), মো. বিল্লাল হোসেন (২০), সাগর হোসেন (১৯), মো. রফিক শেখ (৩০), মো. জলিল (৪০), মোহাম্মাদ শিকদার (৫৫), মিরাজ মাতুব্বর (৩৮), নূর মোহাম্মাদ (৪০), ইলিয়াস মাতুব্বর (২৪) ও স্বপন মাতুব্বর (৩২)।
সদরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ২টা থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিট্রেট মো. পারভেজ মল্লিকের নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যমাণ আদালত পদ্মায় অভিযান চালায়। এ অভিযানে নদী থেকে ইলিশ শিকারের দায়ে ৩০ জেলেদের আটক করে সদরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদের সাজা দেওয়া হয়।
সূত্র আরও জানায়, জেলেদের আটককালে তাদের নৌকা থেকে ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জাল চরবলাশিয়া ঘাট এলাকায় আগুনে পোড়ানো হয়। ওই সময় উদ্ধার হওয়া ৪০ কেজি ইলিশ উপজেলার বিভিন্ন এতিমখানায় দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নির্বাহী হাকিম পারভেজ মল্লিক জানান, আটক জেলেদের দণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। অভিযানকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহায়তা করেন সদরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বাপি কুমার দাশ।