২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে ২৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বাড়তি রাজস্ব আহরণ হয়েছে। এসময়ে হিলি স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আহরণ হয়েছে ৫৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
হিলি স্থলশুল্কস্টেশন কার্যালয় সূত্র জানায়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) হিলি স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। এর বিপরীতে অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২৫ কোটি ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, আগস্ট মাসে ১৫ কোটি ২১ লাখ ২ হাজার টাকা, সেপ্টেম্বর মাসে ১৯ কোটি ৭১ লাখ ৬২ হাজার টাকা আহরণ হয়েছে। এভাবে গত তিন মাসে বন্দর থেকে আহরণ হয়েছে ৫৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। এতে গত তিন মাসে বন্দর থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বাড়তি রাজস্ব আহরণ হয়েছে।
হিলি স্থলশুল্কস্টেশনের সদ্যবিদায়ী সহকারী কমিশনার মো. আল আমিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ বন্দর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক এবং চার শতাধিক বিদেশি যাত্রীর গমনাগমন ঘটে। এ বন্দর দিয়ে সাধারণত চাল, পেঁয়াজ, পাথর, ভুট্টা, খৈল, মরিচ, টমেটো, শিল্প কাঁচামাল প্রভৃতি পণ্য আমদানি এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতে রাইস ব্রান ক্রুড ওয়েল রফতানি হয়। বন্দর দিয়ে গত তিন মাসে স্বাভাবিকভাবে পণ্য আমদানি-রফতানি হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রার অধিক রাজস্ব আহরণ সম্ভব হয়েছে।’