আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ জানান, ‘সিলেটের রেজিস্ট্রারি মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ থেকে ফেরার পথে হোটেলে প্রবেশের আগেই সাদা পোশাকের পুলিশের একটি দল খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে আটক করে নিয়ে যায়।’
বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ওসি সেলিম মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে উল্লেখ করেন।
এদিকে খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে গ্রেফতারের খবর শোনার পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের সামনে এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘গত দুই দিন যাবত এই জনসভাকে কেন্দ্র করে সিলেটে আমাদের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালানো হয়েছে। সর্বশেষ শত বাধার পরও শান্তিপূর্ণ জনসভা শেষে খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে গ্রেফতারের ঘটনা প্রমাণ করে সরকার দমনপীড়ন করে জোর করে ক্ষমতায় থাকার নীল নকশা করছে।’