গঙ্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী আশাদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, রাশেদার বড় বোন বিউটি এলাকার হাজি তবারকের মুরগির ফার্মে কাজ করত। স্কুল ছুটির দিন বোনের সঙ্গে ওই ফার্মে যায় রাশেদা। সেখানে বিদ্যুৎ বোর্ডে সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে যায়। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আবদুল্লাহ হিল কাফি রাশেদাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসীন আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় একটি ইউডি মামলা হবে।