পীরগঞ্জ থানার ওসি বজলুর রশিদ জানান, মন্দির কমিটির সভাপতি পীরগঞ্জ থানায় যে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন সেটি পরে মামলা হিসেবে নেওয়া হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি অসিত মন্দিরের জায়গা দানকারি প্রয়াত বলভদ্র চন্দ্র রায়ের ছেলে।
প্রমানন্দ রায় জানান, ‘ওই মন্দিরের প্রায় আড়াই একর জমিতে ২ বছর আগে ৭০০ আম গাছ লাগানো হয়। বৃহস্পতিবার দিনগত গভীর রাতে দুবৃর্ত্তরা সব গাছ কেটে ফেলে রেখে যায়। সকালে দেখতে পেয়ে আমরা বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও থানা পুলিশকে মৌখিকভাবে জানাই। পরবর্তিতে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। মন্দিরের জমি নিয়ে ওই এলাকার এক প্রভাবশালীর সঙ্গে বিরোধ রয়েছে। এই বিরোধের জেরেই আম গাছগুলি কাটা হয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি।’
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, মন্দিরে জমিদানকারী ব্যক্তির উত্তরাধিকারদের সঙ্গে এই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছে মন্দির কমিটির।
ইউপি চেয়ারম্যান মোফিজার রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি সত্যিই দুঃখজনক। এটা কারও কাম্য নয়।’
পীরগঞ্জ থানার ওসি বজলুর রশিদ শনিবার সকালে টেলিফোনে জানান, ‘ইতোমধ্যেই তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। বিষয়টির তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’