এ সময় হানিফ ভ্যারাইটিজ স্টোর, সফিকুল ভ্যারাইটিজ স্টোর, শান্ত ভ্যারাইটিজ স্টোরসহ কয়েকটি মুদি দোকান থেকে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ভেজাল শিশুখাদ্য জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় বিক্রেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বড় বড় কোম্পানির লেবেল আঁটানো চকলেট, গুঁড়োদুধ উৎপাদনের একটি ভেজাল কারখানারও সন্ধান পাওয়া যায়।
নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আক্তার ফারুকের নেতৃত্বে ভেজাল শিশুখাদ্যগুলো জব্দ করা হয়। তিনি ক্রেতা ও সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্য জনসচেতনতামূলক বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ভেজাল খাদ্য খেয়ে শিশুরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এমনকি রঙ ও কেমিক্যাল মেশানো খাদ্য খেয়ে মরণব্যাধি ক্যানসার রোগে আক্রান্ত হতে পারে শিশুরা।’
নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আক্তার ফারুক এ ধরনের খাদ্য কেনার সময় অভিভাবকদের ভালোভাবে পরখ করে নিতে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ কিনা তা দেখে নিতে পরামর্শ দেন। পরে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আক্তার ফারুক জব্দকৃত মালামালগুলো তালিকাভুক্ত করেন। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ভেজাল খাদ্য ব্যবসায়ীদের বিরূদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।