নিহত ব্যক্তিরা হলেন- সাবরাং সিকদার পাড়া এলাকায় সুলতান আহমদের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২৬) ও হ্নীলা পূর্ব সিকদার পাড়ার তোফায়েল আহমদের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২৮)।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- এসআই আমির হোসেন, কনস্টেবল মহিউদ্দিন, কনস্টেবল মেহেদি হাসান, কনস্টেবল আবদুস শুক্কুর। তারা সবাই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস জানান, ‘বৃহস্পতিবার বিকালে টেকনাফের সাবরাং বাজার ও হ্নীলা বাজারে অভিযান চালিয়ে ওই দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তি মতে শুক্রবার ভোরে সাবরাংয়ের খুরের মুখ সমুদ্র সৈকতে এলাকায় মজুদ রাখা ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারে যায় পুলিশের একটি দল। এসময় আটক ব্যক্তির দলের লোকজন পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে আটকদের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে পুলিশও অত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এসময় চার পুলিশ সদস্য আহত হয়। পরে হামলাকারিরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে ওই দুই মাদক ব্যবসায়ীদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। তারা হামলাকারীদের গুলিতে নিহত হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।’
ওসি প্রদীপ কুমার আরও জানান, নিহত দুই ব্যক্তি তালিকাভুক্ত অস্ত্রধারী ও মাদক ব্যবসায়ী। হ্নীলার সাদ্দামের নামে ৭টি ও সাবরাং এর সাদ্দামের নামে ৪টি মাদক ও মানব পাচারের মামলা রয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর হচ্ছে।
ওসি আরও জানান, ‘ঘটনাস্থল থেকে ৩টি বন্দুক, ৩০ রাউন্ড গুলি ও ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।’
গত ১২ দিনে মাদকবিরোধী অভিযানে এ পর্যন্ত 'বন্দুকযুদ্ধে' ছয় জন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।