ধারণক্ষমতার তিনগুণ বেশি বন্দি কুড়িগ্রাম কারাগারে

 
কুড়িগ্রামধারণক্ষমতার তিনগুণ বেশি বন্দি রাখা হয়েছে কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারে। এর মধ্যে এক তৃতীয়াংশ বন্দিই মাদক মামলার আসামি বলে জানা গেছে। অতিরিক্ত বন্দি নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে কারাগার কর্তৃপক্ষ। জেলা কারাগারের জেলার মো. লুৎফর রহমান শুক্রবার (২ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কারাসূত্র জানায়, এ কারাগারে চারটি পুরুষ ও দুটি নারী ওয়ার্ড মিলে মোট বন্দি ধারণক্ষমতা ২শ’। এর মধ্যে পুরুষ বন্দি ধারণক্ষমতা একশ ৮৮ এবং নারী বন্দি ধারণক্ষমতা ১২। কিন্তু বিগত কিছুদিন ধরে বন্দির সংখ্যা বাড়তে থাকায় তা কারাগারের স্বাভাবিক ধারণক্ষমতার তিনগুণ ছাড়িয়ে গেছে। শুক্রবার (২ নভেম্বর) পর্যন্ত কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারে মোট বন্দির সংখ্যা ৬শ’ ১২। এর মধ্যে পুরুষ ৫শ’ ৮৩ এবং নারী ২৯।

সূত্র আরও জানায়, মোট বন্দির মধ্যে ৫০ জন সাজাপ্রাপ্ত পুরুষ ও একজন সাজাপ্রাপ্ত নারী রয়েছে। অন্যরা বিচারাধীন বন্দি হিসেবে রয়েছে। তবে তাদের মধ্যে মাদকসংক্রান্ত মামলার আসামি প্রায় দুই শতাধিক।

জেলা কারাগারের জেলার মো. লুৎফর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারে সব সময় ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দি থাকে। গ্রীষ্ম মৌসুমে এ নিয়ে আমাদের বেশি বিপাকে পড়তে হয়। অতিরিক্ত বন্দির চাপে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

জেলার আরও বলেন, ‘কারাগারের ধারণক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব করে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত প্রতিবেদন পাঠিয়েছি। কর্তৃপক্ষ বিবেচনায় নিলে কারাগারের ধারণক্ষমতা বাড়তে পারে।’

প্রসঙ্গত, উপ-কারাগার হিসেবে যাত্রা শুরু করা এ কারাগারটি ১৯৮৭ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি জেলা কারাগারে রূপান্তরিত হয়। পৌনে সাত একর জায়গা নিয়ে গঠিত এ কারাগারের অভ্যন্তরীণ আয়তন (মূল কারাগার) ৩.৮৬ একর।