হিলিতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় কমেছে পেঁয়াজের দাম

১১১১১

এক সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে আরেকদফা পেঁয়াজের দাম কমেছে। এক সপ্তাহ পূর্বে প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ১৮ থেকে ২১ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম কমে ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সরেজমিনে হিলি স্থলবন্দর ঘুরে জানা গেছে, বন্দর দিয়ে আমদানি করা নাসিক ও ইন্দোর জাতের প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাইকারিতে (ট্রাকসেল) বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা থেকে ১৬ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহ পূর্বে এসব জাতের পেঁয়াজ ১৮ টাকা থেকে ১৯ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। এছাড়াও নতুন সাউথ জাতের আমদানিকৃত (র‌্যাকের) পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৮ টাকা কেজি দরে এবং ট্রাকে করে আমদানিকৃত এসব জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৯ টাকা থেকে ২০ টাকা কেজি দরে। এছাড়াও বাজারে দেশীয় জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে।

এদিকে বাংলাহিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারে দাম কমার প্রভাব পড়ছে পেঁয়াজের খুচরা বাজারে। বাজারে আমদানিকৃত প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা থেকে ১৮ টাকা কেজি দরে। একসপ্তাহ পূর্বে এসব জাতের পেঁয়াজ ২০ টাকা থেকে ২৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সম্প্রতি ভারতের সাউথসহ বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন জাতের পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। এছাড়াও ভারতের বাজারে নাসিক ও ইন্দোর জাতের পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। এর ফলে ভারতের বাজারেই পেঁয়াজের সরবরাহ খানিকটা বাড়ার ফলে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। ফলে খানিকটা কম দামে পেঁয়াজ আমদানি হওয়ার ফলে দেশের বাজারেও পেঁয়াজের দাম খানিকটা কমতে শুরু করেছে। বর্তমানে বন্দর দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ ট্রাক করে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। এতে করে দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের সরবরাহ বেশি হওয়ায় দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কমেছে।