নিহত জিসমিনের বড় ভাই মো. ফারুক জানান, শনিবার সকাল সাড়ে ৬টায় তার বোন জেসমিন আক্তার ঢামেক হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে মারা গেছে। তাকে বান্দরবানেব নিয়ে আসা হচ্ছে। বান্দরবান পৌঁছানোর পর জানাজা শেষ লাশ দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ভোরে ক্যাচিংঘাটার একটি গ্যারেজ থেকে আগুন জ্বলে উঠে। মূহুর্তে আগুন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে ১৫টি দোকান ও পাঁচটি বসতবাড়ি পুড়ে যায়। এসময় বসতবাড়ির একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে জেসমিন আক্তার, মো. আনিস, জাহাঙ্গীর ও জয়নাল নামে চারজন আহত হন। এদের মধ্যে জেসমিন আক্তারকে প্রথমে বান্দরবান সদর ও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে চমেক থেকে তাকে ঢামেকে রেফার করেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।