নিহতরা হলেন রংপুর জেলার কোতোয়ালি থানার পুঠিমারী গ্রামের হিরো মিয়ার ছেলে সুলতান (২৪) ও একই জেলার কাউনিয়া থানার হারাগাছ গ্রামের আবদুল সামাদ মিয়ার ছেলে আনোয়ারুল (৩০)। নিহতরা ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে হোটেলে কাজ করতেন বলে স্থানীয়রা জানান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন মুদি দোকান্দার রাব্বানী (২৫)। তিনি নওগাঁ জেলার মান্দা থানার চরগোপাল গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের রাজাবাড়ি এলাকায় হোটেল কর্মচারী আনোয়ারুল, দর্জি সুলতান ও মুদি দোকান্দার রাব্বানী মিলে শুক্রবার (২ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে কবুতরের মাংসের সঙ্গে পারদ মিশিয়ে খায়। খাওয়ার কিছুক্ষণ পর থেকে তারা বমি করতে থাকেন। পরে তারা অচেতন হয়ে পড়লে শনিবার ভোরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই জনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত রাব্বানী কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এসআই আশিকুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন,‘নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’