‘খন্দকার মোশতাক-জিয়াউর রহমানের ষড়যন্ত্রে বঙ্গবন্ধু খুন হয়েছিলেন’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম (ছবি– প্রতিনিধি)

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, ‘খন্দকার মোশতাক ও জিয়াউর রহমানের ষড়যন্ত্রে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু খুন হয়েছিলেন। এরপর খন্দকার মোশতাক বঙ্গবন্ধুর চার সহচরকে তার মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু তারা সেই মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং এতে তাদের কারারুদ্ধ করা হয়। জেলাখানায় থাকতে ২ নভেম্বর মধ্যরাতে খালেদ মোশাররফ জিয়াউর রহমানকে বন্দি করে। এই দ্বন্দ্বটা ছিল খালেদ মোশাররফ ও জিয়াউর রহমানের। কিন্তু কেউ বুঝতে পারছে না, কেন সেদিন জেলখানায় গিয়ে এরকম হত্যা করা হলো? এই হত্যাকারীরা বঙ্গভবনের চারদিকে ট্যাংক নিয়ে অবস্থান করতো।’

শনিবার (৩ নভেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলার দিঘীরপাড় বাজার মাঠে জেল হত্যা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি জেনারেল এসব কথা বলেন। দিঘিরপাড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আয়োজনে উপজেলার দিঘিরপাড় বাজার মাঠ এলাকায় এই সভা হয়।

মাহবুবে আলম বলেন, ‘আজকে যে কুচক্রীরা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে, তাদের ব্যাপারে হুঁশিয়ার হই। সামনে নির্বাচনে জনগণ যাতে ভোট দিতে পারে, এজন্য সবাই সংঘবদ্ধ হই। ড. কামাল বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভার একজন মন্ত্রী হয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের যারা বিচার করেনি, তাদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। এর থেকে দুঃখজনক আর কিছুই হতে পারে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা বঙ্গবন্ধু হত্যা, জেলখানা হত্যার বিচার করেননি, তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত জাতির কাছে।’

দিঘিরপাড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. কাউয়ুম হালদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. লুৎফর রহমান, বিশেষ বক্তা টংগিবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জগলুল হালদার ভুতু। আরও উপস্থিত ছিলেন– ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবু ইউসুফ ফকিরসহ অনেকে।