সোলেমানের বাবার নাম মানিক মিয়া। বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানার দাউদখালী মরিচাবোনা বাজার গ্রামে। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জামান রবিবার পলাতক আসামি সোলেমানকে গ্রেফতার করার বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরাফাত হোসেন ও উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ শনিবার দিবাগত রাতে কলাপাড়া থানার কুয়াকাটা এলাকায় অভিযান চালায়। পরে স্থানীয় একটি ইটভাঁটায় ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। আসামি সোলেমান এই ইটভাঁটায় শ্রমিকের কাজ নিয়েছিল। সোলেমানের নিকটাত্মীয়দের মাধ্যমে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েই ইটভাঁটায় অভিযান চালানো হয়। পলাতক আসামি সোলেমান গ্রেফতার হওয়ায় আমরা স্বস্তি ফিরে পেয়েছি। সে একজন দুর্ধর্ষ প্রকৃতির আসামি।’
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার রিমান্ড মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ১ নভেম্বর সকাল সাতটার সময় এসআই আজাহারুল ইসলাম কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় আলবারাকা হাসপাতালের সামনে থেকে মো. সোলেমান হোসেনকে ২৫০ পুরিয়া হিরোইন ও ২০ পিস ইয়াবাসহ আটক করেন। এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় একটি মাদক মামলা হলে ওইদিনই তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়। আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে তাকে থানায় প্রেরণ করেন। ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় আসামি সোলেমান হোসেনকে হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় এসআইদের কক্ষে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার হাজতখানায় নেওয়ার সময় অতর্কিতভাবে আসামি সোলেমান তাকে আঘাত করে এবং জোরে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। এ সময় আসামি সোলেমান দৌড়ে থানা থেকে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে পলাতক আসামি সোলেমান হোসেনের বিরুদ্ধে শনিবার সকালে একটি মামলা দায়ের করেন।