আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে দেশের যোগযোগ, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ কোনও ক্ষেত্রে বিন্দুমাত্র উন্নয়ন ঘটেনি। তবে তারা উন্নয়ন ঘটিয়েছেন নিজেদের ভাগ্যের। আর বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বে গত ১০ বছরে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। উন্নয়ন হয়েছে বিদ্যুৎ, যোগাযোগ ব্যবস্থার। মানুষের অর্থনৈতিক পরিবর্তন ঘটেছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, বিদ্যুৎ পৌঁছেছে ঘরে ঘরে।’
নীলফামারীর সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, ২৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে সাড়ে আট কিলোমিটার শহর বাইপাস সড়কটি সংস্কার ও ১২ ফুট থেকে ১৮ ফুট প্রশস্ত করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ।
এর আগে দুপুরে মন্ত্রী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নীলফামারী-সৈয়দপুর সাড়ে ১৫ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণে জমি অধিগ্রহণের ৩ কোটি ১৫ লাখ ৫হাজার ৬৮৪ টাকার চেক তুলে দেন ভূমি মালিকদের হাতে। জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিনের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রশীদ, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি অক্ষয় কুমার রায়, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মুসফিকুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের সভাপতি রমেন্দ্রনাথ বর্ধন, সাধারণ সম্পাদক শাহিদ মাহমুদ প্রমুখ।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘নীলফামারী জেলায় যে উন্নয়ন হয়েছে তাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর কোনও উন্নয়ন প্রকল্প চাওয়ার মতো নেই। সর্বনাসা মঙ্গাকে দূর করতে উত্তরা ইপিজেড, নার্সিং ইনস্টিটিউট, যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, টিটিসিআই, একশ শয্যার হাসপাতাল আড়াইশ শয্যায় উন্নীতকরণ, ডায়াবেটিক হাসপাতাল, রাস্তাঘাট, আর্ন্তজাতিক মানের শেখ কামাল স্টেয়িাম, পুল-কালভার্টের আমূল পরিবর্তন ও সর্বশেষ মেডিক্যাল কলেজ জেলার মানুষের জন্য উপহার দিয়েছে। একধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হয়েছে। এর মধ্যে নীলফামারী সরকারি কলেজ ও মহিলা কলেজে এমএ অর্নাস খুলে দিয়েছেন। আর কী চাই, চাওয়ার মতো আর কিছুই নেই। এটা হলো বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার অবদান।’
আরও পড়ুন- ‘কেউ নির্বাচনে না আসলে ৩০০ আসনে একাধিক প্রার্থী দেবে আ.লীগ-১৪ দল’