মামলার বাদী জাহিদুল ইসলাম জানান, একদল দুর্বৃত্ত বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিস লক্ষ্য করে পরপর ৫-৬টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এসময় আশপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে ছোটোছুটি করেন। ককটেল বিস্ফোরণ করে তারা ‘খালেদা জিয়া ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ শ্লোগান দিয়ে মোটরবাইকে করে পালিয়ে যায়।
অপর মামলার বাদী এফাজ উদ্দিন জানান, বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুখোশধারী একদল দুর্বৃত্ত মোটরবাইকে খোর্দ্দবলাইল পার্টি অফিসের সামনে এসে বিভিন্ন শ্লোগান দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এরপর তারা কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। পরে সারিয়াকান্দি থানায় খবর দিলে পুলিশ আসে। পুলিশ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে একটি ও খোর্দ্দবলাইল আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে তিনটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করে।
সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল আমিন আসামিদের নাম বলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে ককটেল হামলার ঘটনায় পৃথক মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।’
উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান হিরু মণ্ডল জানান, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নিজেরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিএনপির ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। এ ঘটনার সঙ্গে তার সংগঠনের কেউ জড়িত নেই।’