বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে আপন ভাগিনা উক্যসিং মারমার হাতে মামা সিংনুমং মারমা খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন হ্লামেচিং মারমা আহত হয়েছেন। নিহত সিংনুমং মারমা ম্রক্ষ্যং পাড়ার বাসিন্দা সাগ্য মারমা ছেলে। রবিবার (১৮ নভেম্বর) রাতে ম্রক্ষ্যং পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
বান্দরবান রোয়াংছড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় উক্যসিং মারমাকে আটক করা হয়েছে।
এলাকাবাসীরা জানায়, নিহত সিংনুমং মারমা ও তার স্ত্রী চিং ম্রাস্বং মারমার মধ্যে বাগ বিতণ্ডার আওয়াজ শুনে মৃত সিংনুমং মারমার বড় বোন হ্লামেচিং মারমা ঘটনা স্থলে এসে স্বামী-স্ত্রীকে ঝগড়া না করার জন্য বলেন। এসময় বড় বোনের কথা না শুনলে তিনি নিহত সিংনুমং মারমাকে থাপ্পর মারেন। এরপর সিংনুমং মারমাও বড় বোনকে আক্রমণ করলে বড় বোন অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এসময় বড় বোনের ছেলে উক্যসিং মারমা তার মামাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে। লাঠির আঘাতে সিংনুমং মারমা গুরুতর আহত হলে পাড়াবাসীরা আহত অবস্থায় ভাই-বোনকে উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে সিংনুমং মারমা মারা যান। পরে তার বড় বোনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বান্দরবান রোয়াংছড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ম্রাক্ষ্যং পাড়ায় খুনের ঘটনার কথা শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃত ব্যক্তি লাশ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকায় তার ভাগ্নে উক্যসিং মারমাকে আটক করে থানা আনা হয়েছে। বর্তমানে লাশটি বান্দরবান সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’